প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। কেউ যদি তার স্ত্রীকে মেসেজে বলে যে, “যেদিন তোমার মোহর আদায় করা শেষ হয়ে যাবে, সেদিন তুমি তালাক।” আর এটা বলার সময় মনে মনে নিয়ত করে এক তালাকের, কিন্তু এটা তিন বার বলে— “যেদিন তোমার মোহর আদায় করা শেষ হয়ে যাবে, সেদিন তুমি তালাক।” তাহলে এর হুকুম কী? দয়া করে জানাবেন।
ওয়ালাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
সম্মানিত ভাই আহসান হাবীব, আপনার জিজ্ঞাসিত মাসআলাটি ইসলামী ফিকহ শাস্ত্রের অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়—যাকে ফিকহের পরিভাষায় ‘তাকরারুত তা’লীক’ (تكرار التعليق - শর্তযুক্ত তালাকের পুনরাবৃত্তি) এবং ‘কিতাবাতুত তালাক’ (كتابة الطلاق - লিখিত তালাক) বলা হয়। পবিত্র কুরআন, সুন্নাহ, সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়ীগণের আসার এবং হানাফী মাযহাবের আইম্মায়ে মুজতাহিদীনের অকাট্য ফিকহী মূলনীতির আলোকে আপনার প্রশ্নটির তিনটি দিক রয়েছে: ১. বর্তমানে তালাক হয়েছে কি না, ২. শর্ত পূরণ হলে কয় তালাক হবে, এবং ৩. এই তালাক যেন জীবনে কখনোই পতিত না হয় তার শরয়ী উপায় কী। নিচে প্রতিটি বিষয়ের দালিলিক ফয়সালা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
১. বর্তমান অবস্থা: মেসেজে শর্তযুক্ত তালাক লেখার তাৎক্ষণিক হুকুম
হানাফী ফিকহের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মোবাইল মেসেজ, হোয়াটসঅ্যাপ বা চিঠির মাধ্যমে স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তালাক বা শর্তযুক্ত তালাক লিখলে (যাকে ফিকহের ভাষায় ‘আল-কিতাবাতুল মুস্তাবীনাতুল মারসূমাহ’ বলা হয়) তা মুখে উচ্চারণ করার মতোই কার্যকর হয়।
তবে এখানে স্বামী সরাসরি তালাক দেননি, বরং তালাককে একটি ভবিষ্যৎ শর্তের (যেদিন মোহর আদায় করা শেষ হবে) সাথে ঝুলিয়ে রেখেছেন (تعليق الطلاق بالشرط)। শরীয়তের অকাট্য বিধান হলো—যতক্ষণ পর্যন্ত ওই শর্তটি বাস্তবে সংঘটিত না হবে (অর্থাৎ সম্পূর্ণ মোহর আদায় করা শেষ না হবে), ততক্ষণ পর্যন্ত একটি তালাকও পতিত হবে না এবং বর্তমানে তাদের বিবাহ বন্ধন সম্পূর্ণ অটুট রয়েছে।
الْكِتَابَةُ الْمُسْتَبِينَةُ الْمَرْسُومَةُ يَقَعُ بِهَا الطَّلَاقُ ... وَإِذَا أَضَافَهُ إِلَى شَرْطٍ وَقَعَ عَقِيبَ الشَّرْطِ، وَلَا يَقَعُ قَبْلَ وُجُودِ الشَّرْطِ
অনুবাদ: "স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে লেখা স্পষ্ট বার্তার দ্বারা তালাক সংঘটিত হয়... আর যখন তালাককে কোনো শর্তের সাথে সম্পৃক্ত করা হয়, তখন শর্তটি পাওয়া যাওয়ার পরই তালাক পতিত হয়; শর্ত পাওয়া যাওয়ার পূর্বে কোনো তালাক পতিত হয় না।"
— (আল-হেদায়া: ২/৩৭৮ ও ২/৩৮৫; ফতোয়ায়ে আলমগীরী বা হিন্দিয়া: ১/৩৭৮ ও ১/৪২০)২. এক তালাকের নিয়তে শর্তযুক্ত বাক্যটি তিনবার বলার/লেখার হুকুম কী?
ভবিষ্যতে যদি কখনো সম্পূর্ণ মোহর আদায় করা শেষ হয়ে যায়, তবে কয়টি তালাক পতিত হবে—তা নির্ভর করছে স্বামীর “মনে মনে এক তালাকের নিয়ত করার” প্রকৃত অর্থের ওপর। ফিকহে হানাফীতে এর দুটি সুরত (অবস্থা) রয়েছে, যা অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে বোঝা আবশ্যক:
- প্রথম সুরত (তাকীদ বা তিন বাক্য মিলে মোট ১ তালাকের নিয়ত):
স্বামী যদি প্রথমবার “যেদিন তোমার মোহর আদায় করা শেষ হয়ে যাবে, সেদিন তুমি তালাক” বলার বা লেখার পর, দ্বিতীয় ও তৃতীয়বার বাক্যটি শুধুমাত্র প্রথম বাক্যটির ওপর জোর দেওয়ার জন্য (تأكيد) কিংবা প্রথম শর্তটিকেই পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য (إخبار عن الأول) উল্লেখ করে থাকেন এবং তার মনের সুস্পষ্ট নিয়ত থাকে যে—এই তিনবার বলার দ্বারা নতুন করে আলাদা আলাদা তালাক উদ্দেশ্য নয়, বরং সব মিলিয়ে কেবল ১টি তালাকই উদ্দেশ্য; তবে হানাফী মাযহাবের অকাট্য ফতোয়া অনুযায়ী আল্লাহর কাছে (ديانةً - দিয়ানাতান) শর্ত পূরণ হলে মাত্র ১টি ‘তালাকে রাজঈ’ (প্রত্যাহারযোগ্য তালাক) পতিত হবে। (যদিও কাজীর আদালতে বাহ্যিক বিচারে তিন তালাক ধরা হয়, কিন্তু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার প্রকৃত শরয়ী বিধানে স্বামীর এই তাকীদের নিয়ত গ্রহণযোগ্য)। - দ্বিতীয় সুরত (তাকীদের নিয়ত না থাকা বা প্রতি বাক্যে ১ তালাক উদ্দেশ্য হওয়া):
কিন্তু স্বামী যদি দ্বিতীয় ও তৃতীয়বার বাক্যটি বলার সময় ‘তাকীদ’ (অর্থাৎ নিছক প্রথম বাক্যটিরই পুনরাবৃত্তি বা জোর দেওয়া)-এর নিয়ত না করে থাকেন; বরং তার মনে শুধু এতটুকু ছিল যে, "তুমি তালাক" শব্দটির দ্বারা আমি এক তালাক বোঝাচ্ছি, আর রাগের মাথায় বা পৃথকভাবে তিনি শর্তযুক্ত বাক্যটি তিনবার বলেছেন—তবে হানাফী ফিকহের নিয়ম হলো: শর্তযুক্ত বাক্য তিনবার বললে শপথও তিনটি হয় (تتعدد الأيمان بتعدد الصيغ)। ফলে যেদিন মোহর আদায় শেষ হবে, সেদিন তিনটি বাক্যের শর্ত একসাথে পূরণ হওয়ায় একই মুহূর্তে (১+১+১) মোট ৩টি তালাক (তালাকে মুগাল্লাযা বা চূড়ান্ত বিচ্ছেদ) পতিত হয়ে যাবে!
হাদিস ও ফিকহে হানাফীর অকাট্য দলীল:
রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ইরশাদ করেছেন:
إِنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ، وَإِنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى
"সকল কাজ নিয়তের ওপর নির্ভরশীল, এবং প্রতিটি মানুষ তাই পাবে যা সে নিয়ত করেছে।" (সহীহ বুখারী, হাদিস নং: ১)
হানাফী মাযহাবের প্রামাণ্য ফতোয়া গ্রন্থ ‘ফতোয়ায়ে আলমগীরী’, ‘আল-বাহরুর রায়েক’, ‘বাদায়েউস সানায়ে’ এবং ‘রদ্দুল মুহতার’ (ফতোয়ায়ে শামী)-তে এই মাসআলাটি হুবহু বর্ণিত হয়েছে:
وَلَوْ قَالَ لِامْرَأَتِهِ: إِنْ دَخَلْتِ الدَّارَ فَأَنْتِ طَالِقٌ، ثُمَّ قَالَ ثَانِيَةً: إِنْ دَخَلْتِ الدَّارَ فَأَنْتِ طَالِقٌ، فَدَخَلَتِ الدَّارَ طَلُقَتْ ثِنْتَيْنِ، وَإِنْ قَالَ: عَنَيْتُ بِالثَّانِي الْخَبَرَ عَنِ الْأَوَّلِ (أَوِ التَّأْكِيدَ) لَمْ يُصَدَّقْ قَضَاءً، وَيُصَدَّقُ فِيمَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ اللَّهِ تَعَالَى
অনুবাদ: "যদি কেউ তার স্ত্রীকে বলে: 'তুমি ঘরে প্রবেশ করলে তালাক', অতঃপর দ্বিতীয়বার আবার বলে: 'তুমি ঘরে প্রবেশ করলে তালাক'—তখন স্ত্রী ঘরে প্রবেশ করলে দুটি তালাক পতিত হবে (তিনবার বললে তিনটি পতিত হবে)। কিন্তু স্বামী যদি বলে যে, আমি দ্বিতীয় (ও তৃতীয়) বাক্য দ্বারা কেবল প্রথম বাক্যটিরই বিবরণ বা তাকীদ (জোর দেওয়া) উদ্দেশ্য করেছিলাম (নতুন তালাক যোগ করা উদ্দেশ্য করিনি)—তবে কাজীর আদালতে তা গ্রহণযোগ্য না হলেও, বান্দা ও আল্লাহ তাআলার মধ্যকার বিধানে (দিয়ানাতান) তার কথা সত্য বলে গৃহীত হবে এবং মাত্র ১ তালাকই গণ্য হবে।"
— (ফতোয়ায়ে আলমগীরী বা হিন্দিয়া: ১/৪১৮; আল-বাহরুর রায়েক: ৪/১১; বাদায়েউস সানায়ে: ৩/১৩৮; রদ্দুল মুহতার বা ফতোয়ায়ে শামী: ৩/৩৫৫)৩. তালাক থেকে বাঁচার শতভাগ বৈধ ও শরয়ী উপায় (আল-মাখরাজুশ শারয়ী)
সুসংবাদ: সামান্য ফিকহী সতর্কতা অবলম্বন করলে জীবনে কখনোই এই তালাক পতিত হবে না!
সম্মানিত ভাই, শর্তটি যেহেতু ছিল— “যেদিন তোমার মোহর আদায় করা শেষ হয়ে যাবে”—তাই ১ তালাক হোক কিংবা ৩ তালাক হোক, এই বিপদ থেকে চিরতরে বাঁচার একটি অত্যন্ত সহজ ও শতভাগ শরীয়তসম্মত পথ (مخرج شرعي) হানাফী ফিকহে রয়েছে। তা হলো এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করা, যাতে স্ত্রীর হকও নষ্ট না হয়, আবার “মোহর আদায় করা শেষ হওয়া”-এর শর্তটিও জীবদ্দশায় কখনো পূরণ না হয়!
তালাক রোধ করার ২টি অব্যর্থ ফিকহী পদ্ধতি (উভয়টি একসাথে আমল করা উত্তম):
- পদ্ধতি ১ — কিছু অংশ ‘ইবরা’ (মাফ) নেওয়া এবং পরিবর্তে আলাদা হাদিয়া দেওয়া:
ইসলামী ফিকহে ‘আদায় করা’ (الأداء / পরিশোধ করা) এবং ‘ইবরা’ (الإبراء / মাফ করে দেওয়া)—দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস। স্বামী যদি স্ত্রীর ধার্যকৃত দেনমোহরের প্রায় পুরো অংশই পরিশোধ করে দেন এবং সামান্য কিছু অংশ (যেমন: ১,০০০ বা ২,০০০ টাকা) বাকি রাখেন; অতঃপর স্ত্রীকে খুশি করার জন্য দেনমোহরের বাইরে আলাদাভাবে ‘হাদিয়া বা উপহার’ (هبة) হিসেবে আরও বেশি টাকা বা স্বর্ণালংকার দান করেন এবং স্ত্রী খুশি মনে দেনমোহরের ওই বাকি ১,০০০ বা ২,০০০ টাকা স্বামীকে মুখে মুখে মাফ (ইবরা) করে দেন—তবে শরীয়তের দৃষ্টিতে মোহর মাফ হওয়ার কারণে তা নিঃশেষ হয়ে যাবে, কিন্তু “মোহর আদায় (পরিশোধ) করা শেষ হওয়া”-এর শর্তটি কখনোই পাওয়া যাবে না! ফলে কোনো তালাকও পতিত হবে না। - পদ্ধতি ২ — অধিকতর সতর্কতার জন্য সামান্য কিছু টাকা ‘মুয়াজ্জাল’ (মৃত্যু পর্যন্ত বাকি) রাখা:
দেশীয় প্রচলনে (উরফ) কেউ কেউ মনে করতে পারেন যে, মাফ করে দিলেও তো মোহর শেষ হয়ে যায়। তাই সকল প্রকার সন্দেহের ঊর্ধ্বে থাকার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ও অব্যর্থ কৌশল হলো: স্বামী তার স্ত্রীর পুরো দেনমোহর পরিশোধ করবেন না; বরং দেনমোহরের অতি সামান্য একটি অংশ (যেমন: মাত্র ১০০ বা ৫০০ টাকা) অপরিশোধিত রেখে দেবেন। আর স্ত্রীর হক যেন নষ্ট না হয়, সেজন্য স্ত্রীকে বলবেন— "তোমার দেনমোহরের এই ১০০/৫০০ টাকা আমাদের সংসার রক্ষার স্বার্থে তোমার কাছে আমার ঋণ (মুয়াজ্জাল) হিসেবে আজীবন বাকি থাকল (আমার বা তোমার মৃত্যুর পর তা ওয়ারিশদের থেকে শোধ হবে বা মাফ হবে), আর এর বদলে আমি তোমাকে দেনমোহরের বাইরে খুশি হয়ে নগদ ১,০০০ বা ৫,০০০ টাকা আলাদা হাদিয়া (উপহার) দিচ্ছি।"
স্ত্রী এই প্রস্তাবে সম্মত থাকলে স্বামী গুনাহগারও হবেন না (কারণ স্ত্রীর সম্মতিতেই তা মেয়াদান্তে বাকি রাখা হয়েছে এবং তাকে অতিরিক্ত হাদিয়াও দেওয়া হয়েছে), আবার স্বামী-স্ত্রীর জীবদ্দশায় কখনোই “মোহর আদায় করা শেষ” হবে না! আর শর্ত পূরণ না হওয়ার কারণে কেয়ামত পর্যন্ত তাদের ওপর এই তালাক পতিত হবে না!
لِأَنَّ الْمُعَلَّقَ بِالشَّرْطِ مَعْدُومٌ قَبْلَ وُجُودِ الشَّرْطِ، فَإِذَا لَمْ يُوجَدِ الشَّرْطُ حَتَّى مَاتَ أَحَدُهُمَا بَطَلَ التَّعْلِيقُ
অনুবাদ: "কেননা শর্তের সাথে ঝুলন্ত বিষয় শর্ত পাওয়া যাওয়ার পূর্বে অস্তিত্বহীন থাকে। সুতরাং তাদের দুজনের একজনের মৃত্যু হওয়া পর্যন্ত যদি ওই শর্তটি বাস্তবায়িত না হয়, তবে শর্তযুক্ত তালাকটি চিরতরে বাতিল হয়ে যায়।"
— (বাদায়েউস সানায়ে: ৩/১২৬; আল-মাবসূত লিস-সারাখসী: ৬/৮২; রদ্দুল মুহতার: ৩/৩৩৮)সারসংক্ষেপ ও চূড়ান্ত করণীয়
- বর্তমানে আপনাদের ওপর কোনো তালাক পতিত হয়নি এবং আপনাদের বিবাহ বন্ধন শতভাগ বহাল আছে।
- স্বামী যদি তিনবার লেখার দ্বারা কেবল প্রথম বাক্যটির ওপর জোর দেওয়া (তাকীদ) এবং সব মিলিয়ে মাত্র ১টি তালাকই উদ্দেশ্য করে থাকেন, তবে শর্ত পূরণ হলে আল্লাহর কাছে (দিয়ানাতান) ১টি রাজঈ তালাক পতিত হবে। আর যদি তাকীদের নিয়ত না করে থাকেন, তবে শর্ত পূরণ হলে ৩ তালাক পতিত হবে।
- সর্বোত্তম ও নিরাপদ সমাধান: তালাকের ঝুঁকিতে যাওয়ারই কোনো প্রয়োজন নেই। স্বামী দেনমোহরের সামান্য একটি অংশ (যেমন: ১০০ বা ৫০০ টাকা) জীবদ্দশায় দেনমোহর হিসেবে পরিশোধ না করে স্ত্রীর সন্তুষ্টচিত্তের সম্মতিতে তা মৃত্যু পর্যন্ত বাকি রাখবেন (অথবা মাফ করিয়ে নেবেন) এবং তার পরিবর্তে স্ত্রীকে আলাদাভাবে নগদ হাদিয়া বা উপহার দিয়ে খুশি করে দেবেন।
- এই সহজ শরয়ী কৌশলটি অবলম্বন করলে "মোহর আদায় করা শেষ হওয়া"-এর শর্তটি কখনোই পূরণ হবে না এবং আপনাদের দাম্পত্য জীবনে কখনোই এই তালাক কার্যকর হবে না ইনশাআল্লাহ। তবে কথায় কথায় তালাকের এমন শর্ত দেওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে তওবা করা আবশ্যক।
আল্লাহ তাআলা আপনাদের দাম্পত্য জীবনকে সকল প্রকার বিপদ ও শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে হেফাজত করুন। (আমীন) আল্লাহ তাআলাই সবচেয়ে ভালো জানেন।