Islami Sharia Logo
مركز الفقه الإسلامي بنغلاديش
মারকাযুল ফিকহ আল-ইসলামী বাংলাদেশ
Markajul Fiqh Al-Islami Bangladesh
পাইনাদী (দোনু হাজী রোড), মিজমিজি, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ-১৪৩০
মোবাইল: ০১৯১৭-৬৫৫৮০৪, ০১৭৩৯-১৭৬৯৭৬
তারিখ: ১২-০৩-১৪৩৮ হি. সূত্র নং: F-060 (অ্যালবাম-১)
প্রশ্ন (ইস্তিফতা)

বরাবর: মুহতারাম প্রধান মুফতী সাহেব দা.বা.

বিষয়: নাবালেগ অবস্থায় বিয়ে প্রসঙ্গে।

সমস্যা: গৌরিপুর গ্রামের দুই পরিবার তাদের দুই সন্তানকে না বালেগ অবস্থাতেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করে। প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর মেয়ে এই বিয়ে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এতে দুই পরিবারের মাঝে বিচ্ছেদ সৃষ্টি হয়।

জিজ্ঞাসা: মুহতারাম মুফতী সাহেবের কাছে জানার বিষয় হলো, শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে এই ধরণের বিয়ের হুকুম কী? না-বালেগ অবস্থায় বিয়ে দেয়া হলে তা বালেগ হওয়ার পর বাকী থাকবে কিনা? দলিলসহ জানিয়ে বাধিত করবেন।

— বিনীত নিবেদক: আবিদ হাসান, কুমিল্লা।
উত্তর (আল-জাওয়াব)

সমাধান: যদি বাবা অথবা দাদা ছোট বেলায় তাদের বিয়ে করিয়ে থাকে তাহলে বালেগ হওয়ার পর ছেলে অথবা মেয়ে কারোরই বিয়ে ভাঙ্গার সুযোগ থাকবে না। আর যদি বাবা অথবা দাদা ছাড়া অন্য কোন অভিভাবক বিয়ে দিয়ে থাকে তাহলে ছেলে মেয়ে চাইলে বিয়ে ভেঙ্গে দিতে পারবে।

তথ্যসূত্র ও দলিলসমূহ (الأدلة الفقهية)

১. আল-মুখতাসার লিল কুদূরী (পৃ: ১৬): "إذا زوجهما الولي بكرا كانت الصغيرة أو ثيبا والولي هو العصبة فإن زوجهما الآباء والجد فلا خيار لهما بعد البلوغ وإن زوجهما غير الأب والجد فلكل واحد منهما الخيار إن شاء أقام على النكاح وإن شاء فسخ"
২. আল-হেদায়া (২/৩১৬): "ويجوز نكاح الصغير والصغيرة إذا زوجهما الولي بكرا كانت الصغيرة أو ثيبا فلا خيار بعد بلوغهما إن زوجهما غير الأب والجد فلكل واحد منهما الخيار إذا بلغ إن شاء أقام على النكاح وإن شاء فسخ"
৩. আল-বিনায়া (২/১১১): "ويجوز نكاح الصغير والصغيرة اذا زوجهما الولي بكرا كانت الصغيرة أو ثيبا والولي هو العصبة"
৪. আল-মাবসুত (৪/২৩৭): "وبلغنا عن إبراهيم أنه كان يقول: إذا أنكح الوالد الصغير أو الصغيرة فذلك جائز عليها وكذلك سائر الأولياء"
৫. ফাতাওয়া রহীমিয়া (৮/২২): "نابالغ لڑکی کا نکاح اسکے باپ دادا نے کر دیا ہے تو یہ معتبر ہے لڑکی بڑی ہونے کے بعد اسکو رد نہیں کر سکتی"
৬. ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১৬/৭৩): "درست ہے کہ ولی نابالغ لڑکے لڑکی کے لئے ایجاب وقبول کرلے"
৭. অন্যান্য:

ফাতহুল কাদির (৩/২৬৪), আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়া (১/৩৫), আহসানুল ফাতাওয়া (৫/৯৯)।