Islami Sharia Logo
مركز الفقه الإسلامي بنغلاديش
মারকাযুল ফিকহ আল-ইসলামী বাংলাদেশ
Markajul Fiqh Al-Islami Bangladesh
পাইনাদী (দোনু হাজী রোড), মিজমিজি, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ-১৪৩০
মোবাইল: ০১৯১৭-৬৫৫৮০৪, ০১৭৩৯-১৭৬৯৭৬
তারিখ: ২০-১১-১৪৩৭ হি. সূত্র নং: F-009 (অ্যালবাম-১)
প্রশ্ন (ইস্তিফতা)

বরাবর: মুহতারাম প্রধান মুফতী সাহেব দা.বা.

বিষয়: মেহেদী দেওয়ার পরে ওজুর বিধান।

সমস্যা: বর্তমানে আমাদের দেশে বাজারজাত কিছু মেহেদী বের হয়েছে, যে গুলো ব্যবহারের কিছু দিন পর চামড়ার ন্যায় খোশা হয়ে উঠে যায়।

জিজ্ঞাসা: মুহতারাম, প্রধান মুফতী সাহেবের নিকট আমার জানার বিষয় হলো, এই জাতীয় মেহেদীর ওপর ওজু জায়েয হবে কি না? দলীল সহ জানিয়ে বাধিত করবেন আল্লাহ আপনার সহায় হোন।

— নিবেদক: মুহা: কামাল উদ্দীন, বরড়া, কুমিল্লা।
উত্তর (আল-জাওয়াব)

সমাধান: প্রশ্নবর্ণিত মেহেদীগুলো যদি মোম বা চর্বি ইত্যাদির ন্যায় শরীরে পানি পৌঁছতে প্রতিবন্ধক হয়, তাহলে ওজু বা গোসল সহীহ হবে না। আর যদি মেহেদী কাদামাটির ন্যায় পানি শরীরে পৌঁছে, তাহলে ওজু বা গোসল সহীহ হয়ে যাবে।

তথ্যসূত্র ও দলিলসমূহ (الأدلة الفقهية)

১. আদ্দুররুল মুখতার (১/১৫২): "يفرض غسل كل ما يمكن من البدن بلا حرج مرة ... ولا يمنع ما على ظفر صباغ ولا طعام بين أسنانه أو في سنه المجوف يفتى وقيل ان صلبا منع وهو الأصح"
২. শরহুল বেকায়া (১/৭৩): "وغسل سائر البدن أي جميع ظاهر البدن حتى لو بقي العجين والظفر فاغتسل لا يجزئ وفي الدرن يجزئ"
৩. বাদায়িউস সানায়ে (১/১৩৬): "ركنه فهو إسالة الماء على جميع ما يمكن إسالته عليه من البدن من غير حرج مرة واحدة حتى لو بقيت لمعة لم يصبها الماء لم يجز الغسل"
৪. আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়া (১/৬৪): "وإن كان على ظاهر بدنه جلد سمك أو خبز ممضوغ قد جف فاغتسل ولم يصل الماء إلى ما تحته لا يجوز"
৫. ফাতাওয়া হাক্কানিয়া (২/৫০১): "موجودہ دور کے نامور علماء ناخن پالش کے عدم جواز کے قائل ہیں کیونکہ ناخن پالش سے ناخن کا جسم مستور ہو کر وضوء اور غسل میں اس کو پانی پہنچنا ممکن نہیں رہتا"
৬. আহসানুল ফাতাওয়া (১/২৬-২৭): "ایسی تزئین حرام ہے جو شرعی فرائض سے مانع ہو، جو چیز بدن تک پانی پہنچنے سے مانع ہو اس موجودگی میں وضو اور غسل صحیح نہیں ہوتا اگر بال برابر بھی جگہ خشک رہ گئی تو وضو اور غسل نہ ہوگا"
৭. অন্যান্য:

রদ্দুল মুহতার (১/২৮৮), ফাতাওয়া তাতারখানিয়া (১/১৯৯), কিতাবুল ফাতাওয়া (১/৬৫), জাদীদ ফিকহী মাসায়েল (১/৮৭)।