Islami Sharia Logo
مركز الفقه الإسلامي بنغلاديش
মারকাযুল ফিকহ আল-ইসলামী বাংলাদেশ
Markajul Fiqh Al-Islami Bangladesh
পাইনাদী (দোনু হাজী রোড), মিজমিজি, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ-১৪৩০
মোবাইল: ০১৯১৭-৬৫৫৮০৪, ০১৭৩৯-১৭৬৯৭৬
তারিখ: ১২-০৪-১৪৩৮ হি. সূত্র নং: F-021 (অ্যালবাম-১)
প্রশ্ন (ইস্তিফতা)

বরাবর: মুহতারাম প্রধান মুফতী সাহেব দা.বা.

বিষয়: কেরাত প্রসঙ্গে।

সমস্যা: কোন ব্যক্তি যদি ফরজ নামাজে আরবী ভাষা ব্যতীত অন্য কোন ভাষায় কেরাত বা দোয়া পড়ে।

জিজ্ঞাসা: মুহতারাম মুফতী সাহেবের নিকট আমার জানার বিষয় হল, ঐ ব্যক্তির নামায কি নষ্ট হয়ে যাবে?

— নিবেদক: আমানান, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ।
উত্তর (আল-জাওয়াব)

সমাধান: নামাযের মধ্যে যদি আরবী ভাষা ব্যতীত অন্য কোন ভাষায় কেরাত পড়ে; আর যদি ঐ ব্যক্তি (আরবীতে) কেরাত পড়তে অক্ষম হয়, তাহলে তার নামায হয়ে যাবে। আর যদি ঐ ব্যক্তি আরবী ভাষায় কেরাত পড়তে পারে, তাহলে তার নামায নষ্ট হয়ে যাবে। আর যদি আরবী ভাষা ব্যতীত অন্য ভাষায় দোয়া পড়ে, তাহলে তার নামায ফাসেদ হয়ে যাবে।

তথ্যসূত্র ও দলিলসমূহ (الأدلة الفقهية)

১. আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়া (১/৬৯): "ولا تجوز القراءة بالفارسية الا لعاجز (أى عن العربية)"
২. ফাতাওয়া কাজি খান (৭/৮৩): "ولو قرأ من الإنجيل أو التوراة أو الزبور ويحسن القرآن أو لا يحسن فسدت صلاته"
৩. আল-বাহরুর রায়েক (১/৫৩৬): "أن العاجز عن العربية تقع قراءته بالفارسية اتفاقا، فلو كان يحسنها فالقصص مفسد اتفاقا لكونه يصير متكلما"
৪. আল-বিনায়া (২/১৮৬): "فإن افتتح الصلاة بالفارسية أو قرأ فيها بالفارسية، أو ذبح وسمى بالفارسية، وهو يحسن العربية أجزأه عند أبي حنيفة وقال: لا يجزئه الا في الذبيحة خاصة"
৫. কিতাবুল ফাতাওয়া (২/২৬৩): "نماز کے اندر عربی زبان میں سجدہ کی حالت میں دعا کی جاسکتی ہے"
৬. আপকে মাসায়েল আওর উনকা হল (৩/৫৭০): "س: کیا ہم نماز پڑھتے وقت سجدہ میں زبان میں یعنی اردو میں اللہ تعالی سے اپنی حاجت بیان کر سکتے ہیں؟ ج: نہیں، ورنہ نماز ٹوٹ جائے گی"
৭. অন্যান্য:

রদ্দুল মুহতার (২/২৩৩), বাদায়িউস সানায়ে (১/২৯৯), আল-মুহিতুল বুরহানী (১/৩০৮), ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (১১/৭৬)।